মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬,
১৪ মাঘ ১৪৩২
বাংলা English हिन्दी

মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
লাইফস্টাইল
কিডনিতে পাথর হয়েছে কিনা বুঝবেন কীভাবে
লাইফস্টাইল ডেস্ক
Publish: Friday, 16 January, 2026, 11:48 PM

শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হচ্ছে কিডনি। এর কাজ হচ্ছে রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি ছেঁকে মূত্র তৈরি করা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা এবং লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে সহায়তা করা। তবে এর মূল কাজ রক্ত পরিশোধন, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, মূত্র উৎপাদন এবং শরীরে পানি ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখা।

কিডনি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হওয়ার কারণে এর সঠিক যত্ন নেয়া জরুরি। কিন্তু নানা কারণেই অনেক সময় অনেকেরই কিডনিতে পাথর হয়ে থাকে। যা এখন খুবই সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। খাদ্যাভ্যাসে অনিয়মিত ও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করার কারণেই এই সমস্যা হয়ে থাকে। কখনো কখনো পাথরের ধরন ছোট থাকার কারণে এর লক্ষণ প্রকাশ পায় না। তবে এটি যখন কিডনি থেকে মূত্রনালিতে সরে আসে, তখন অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়। কিডনিতে পাথর হয়েছে কিনা, এটি বুঝতে পারার লক্ষণ সম্পর্কে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাহলে সেখান থেকে জেনে নেয়া যাক।

পিঠের নিচে বা কোমরে তীব্র ব্যথা: কিডনিতে পাথর হয়েছে কিনা, এর বড় লক্ষণ হচ্ছে পিঠেরে দু’পাশে, পাঁজরের নিচে বা তলপেটে হঠাৎ তীব্র ব্যথা শুরু হবে। যা অনেক সময় কোমর থেকে কুঁচকির দিকে বিস্তৃত হয়। কখনো কখনো ব্যথার তীব্রতা বাড়ে, আবার কখনো কমে।

প্রস্রাবের রঙ ও গন্ধের পরিবর্তন: প্রস্রাবের রঙ যদি কালচে, বাদামি বা ঘোলাটে হয়, তাহলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে এসব লক্ষণ। কখনো কখনো পাথরের ঘর্ষণে মূত্রনালিতে রক্তপাত হয়ে থাকে। আবার প্রস্রাবে দুর্গন্ধ থাকাও বড় লক্ষণ।

ঘনঘন প্রস্রাব আসা ও জ্বালাপোড়া: পাথর মূত্রনালির কাছাকাছি চলে আসলে ঘনঘন প্রস্রাব পাওয়ার অনুভূতি হয়। প্রস্রাব করার সময় অসহ্য জ্বালাপোড়া কিংবা ব্যথাও হয়ে থাকে। যা কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম লক্ষণ।

বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া: কিডনি ও পাকস্থলীর স্নায়ুর মধ্যকার গভীর সংযোগ থাকে। এ কারণে কিডনিতে পাথর হলে বা সেখানে চাপ সৃষ্টি হলে ক্ষেত্র বিশেষ বমি বমি ভাব হয় বা বমি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

জ্বর ও কাঁপুনি দিয়ে শরীর গরম হওয়া: ব্যথার সঙ্গে জ্বর এলে এবং শরীর কাঁপতে থাকলে বুঝে নিতে হবে―কিডনিতে ইনফেকশন বা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। যা কিডনি সংক্রান্ত গুরুতর অবস্থা এবং এ সময় কালক্ষেপণ না করে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের দ্বারস্থ হওয়া উচিত।

পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে করণীয়:
পানি পান: প্রতিদিন অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করতে হবে। যাতে প্রস্রাব পরিষ্কার থাকে।

লবণ ও অক্সালেট-জাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত লবণ, পালং শাক, চকোলেট ও বিট খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।

লেবুর রস: প্রতিদিন লেবু-পানি পান করতে পারেন। পানীয়তে বিদ্যমান সাইট্রেট পাথর জমতে বাধা প্রদান করে।

কখন ডাক্তার দেখাবেন: ব্যথা যদি তীব্র হয় এবং আপনার যদি সোজা হয়ে বসতে সমস্যা হয়, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বের হলে বা প্র্রস্রাব একদম বন্ধ হলে, তাৎক্ষণিক ডাক্তারের কাছে যাবেন বা ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। আল্ট্রাসনোগ্রাফি বা সিটি স্ক্যানসহ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ডার্ক টু হোপ/এসএইচ
মতামত লিখুন:
http://darktohope.org/ad/1763179181.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

ভৈরবে বগি লাইনচ্যুত: ৯ ঘণ্টা পর তিন রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যা : আসামি মিজান গ্রেপ্তার
দুর্নীতি দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
গ্রিসে বিস্কুট কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ৫
বাংলাদেশিসহ ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিল স্পেন
লাইফস্টাইল- এর আরো খবর
Email: [email protected]
© 2024 Dark to Hope
🔝