সোমবার, ১৮ মে ২০২৬,
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাংলা English हिन्दी

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
মতামত
প্রতিটি ১৭ তারিখ শেখ হাসিনার জীবনে বিজয়ের বীজ বপন করেছে
Publish: Sunday, 17 May, 2026, 2:11 PM

১৯৮১ সনের ১৭ই মে, এই দিনে ঘর-বাড়ি ও দেশছাড়া এতিম অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবনের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল ভারত থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল পিতা মুজিবের আজীবনের লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়া। বাংলাদেশে আসার দিনটি তাঁর জীবনের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আবহাওয়াও ছিল বিরূপ। কিন্তু সেই বিরূপ আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমবেত হন। ঢাকার রাস্তা, বাড়িঘর, অফিস-আদালতের ছাদ-কোথাও তিল ধারণের স্থান ছিল না। যখন শেখ হাসিনা বললেন, তিনি ক্ষত-বিক্ষত জাতিকে উদ্ধার করে পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার একজন কর্মী হিসেবে কাজ করার জন্য এসেছেন, তখন তাঁর কথা শুনে মানুষের মনে আশার নতুন বীজ বপন হয়।

সেই দিন থেকে তিনি বাংলার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত, গ্রাম-শহর, জেলা-উপজেলা ঘুরে বেড়িয়েছেন। নারী-পুরুষ, ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, ব্যবসায়ী-শিল্পপতি, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার, শিল্পী-সাহিত্যিক ও শিক্ষক-সবার সঙ্গে মিশে তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা শুনে মনে মনে বারবার কেঁদেছেন। তিনি জানতে পেরেছেন, মানুষ হৃদয় দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে কত ভালোবাসেন। তারা বিশ্বাস করতেন, বঙ্গবন্ধু থাকলে তাদের এই দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে যেত এবং দেশ অনেক উন্নত হতো। বঙ্গবন্ধুর প্রতি মানুষের এত অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং তাঁর কন্যা হিসেবে তাঁকে পেয়ে মানুষের চোখেমুখে যে স্বপ্নের সৃষ্টি হয়েছিল, তা তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন। তাই তাঁর আর পিছনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তিনি মনে মনে শপথ নিলেন, যে স্বপ্ন পূরণের জন্য তাঁর পিতা সারাজীবন জেল-জুলুম-অত্যাচার সহ্য করে স্বাধীনতা এনেছেন, সেই সোনার বাংলা তিনিই গড়বেন।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার একটাই কারণ ছিল যে, তিনি বাংলাদেশকে এশিয়ার দ্বিতীয় সিঙ্গাপুরে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “দুনিয়া দুই ভাগে বিভক্ত- শোষক আর শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।” সেই শোষিত মানুষের স্বপ্ন পূরণের শপথ নিয়েই শেখ হাসিনা যাত্রাপথে মানুষের আর্তনাদ শুনতেন-“মাগো, তুমি আমাদের ছেড়ে যেও না। আমরা বড় অসহায়। তোমার বাবা নেই। তুমি থাকলে আমাদের সাহস হয়। মনে হয়, আশা পূরণ হবে এবং আমরা ভালো থাকব।” মানুষের এই ভালোবাসা ও ভরসাই তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে। জেল-জুলুম-অত্যাচার এবং মৃত্যুর মুখ থেকে বারবার ফিরে এসেও তাঁকে দমিয়ে রাখা যায়নি।
শত সংগ্রাম ও প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করে তিনি প্রথম ১৯৯৬ সনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। শত বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ জাতিতে রূপান্তর করেন। একই সঙ্গে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সমগ্র যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেন।
দুর্ভাগ্যবশত ২০০১ সনে ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে না দিয়ে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির করে দেওয়া হয়। ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশে নেমে আসে স্থবিরতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য। ২১শে আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের উপর হামলা করে দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়।

২০০৭ সনের নির্ধারিত নির্বাচনকে ১৯৯৬ সনের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মতো একটি প্রহসনের নির্বাচনে পরিণত করার জন্য কোনো কারণ ছাড়াই বিচারপতিদের চাকরির বয়স দুই বছর বাড়িয়ে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনকালীন সময়ে তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা বানানো, যিনি এক সময় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু জনগণের আন্দোলনের মুখে তা সম্ভব না হওয়ায় বেগম জিয়া রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব দেন, যাতে মানুষ ভোট না দিলেও ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতায় থাকা যায়। তখন মানুষ দেখল, কীভাবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্র করা হয়। সেটাই ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার উপর প্রথম ছুরিকাঘাত।

পরবর্তীতে অন্য উপদেষ্টারা পদত্যাগ করলে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে যায়। ঐ অবস্থায় ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে কিছু বুদ্ধিজীবী একটি বিকল্প তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের চেষ্টা করেন। কিন্তু যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ছিল মাত্র তিন মাস, সেজন্য ডক্টর ইউনূস রাজি হননি। তিনি চেয়েছিলেন, কয়েক বছরের জন্য হলে তিনি দায়িত্ব নেবেন। এই অবস্থায় সেনাসমর্থনে ফখরুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি অনির্বাচিত সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশকে বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়, যার সম্পর্কে দেশের মানুষ ভালোভাবেই জানে।
প্রথমে যদিও ৮ই মার্চ ২০০৭ সালে তারেক জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়, পরবর্তীতে ১৬ই জুলাই ২০০৭ সনে শেখ হাসিনা ও বহু আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ৩রা সেপ্টেম্বর বেগম জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
আবার ১১ই সেপ্টেম্বর ২০০৭ সনে আলোচনা সাপেক্ষে তারেক জিয়াকে সরকার লন্ডনে নির্বাসনে পাঠায়। অন্যদিকে প্রায় এক বছর কারাভোগের পর ১১ই জুন ২০০৮ জনগণের আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তির পর তিনি চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গেলে তাঁকে দেশে আসতে না দেওয়া এবং দেশে ফিরলে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারের সকল হুমকি উপেক্ষা করে ২৭ শে জুন ২০০৮ তিনি দেশে ফিরে আসেন।
এরপর লড়াই-সংগ্রাম এবং ব্যাপক আন্দোলনের মুখে ২০০৮ সালের ২৩শে ডিসেম্বর ফখরুদ্দিনের সরকার নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সরকার গঠন করে। এটাই ছিল বাঙালি জাতির স্বপ্ন পূরণের মহাযাত্রা।
তখন শেখ হাসিনা পরিকল্পনা করেন, ২০৪১ সনের পূর্বেই বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করবেন। উন্নত দেশ হতে হলে মাথাপিছু আয় হতে হবে ন্যূনতম ১২,৫০০ ডলার। কিন্তু তখন বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র প্রায় ৫০০ ডলার। সে সময় এটি অনেকের কাছে দিবাস্বপ্ন এবং অবাস্তব মনে হতো। কারণ এর আগে মরহুম অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালীন বলেছিলেন, বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অবাস্তব। তাই তিনি তিন বছর মেয়াদি পি আর এস পি (PRSP - Poverty Reduction Strategy Papers), অর্থাৎ দারিদ্র্য কমানোর কৌশলপত্র তৈরি করেন। মানুষ বলত, ওই প্রক্রিয়ার অর্থ হলো-আমরা গরিবই থাকব, শুধু দারিদ্র্যের সঙ্গে কীভাবে বসবাস করতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।
অন্যদিকে শেখ হাসিনা বললেন, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হবে, আমরা গরিব থাকব না, উন্নত দেশ হব। তিনি বলেন, “আমি জানি কীভাবে উন্নত দেশ গড়তে হয়।” তিনি প্রতিটি পদক্ষেপ পরিকল্পিতভাবে গ্রহণ করতে শুরু করেন এবং প্রতিপক্ষের বাধা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে থাকেন। তিনি বলেন, লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে প্রতিটি মানুষকে কর্মশক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। সব ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাতে হবে, মাঠে ও কলকারখানায় বিদ্যুৎ দিতে হবে। সে কারণে বাংলাদেশে ৩২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলা হয়েছে।

প্রতি ঘরে ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিতে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে দুটি সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হয় এবং মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের তাৎক্ষণিক যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়। কৃষকদের সারে ভর্তুকি দেওয়ার ফলে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোনো সারের সংকট হয়নি। অথচ বিএনপি সরকারের আমলে সারের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে ১৭ জন কৃষককে জীবন দিতে হয়েছিল।
প্রতি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, মেট্রোরেল নির্মাণ, নতুন রেললাইন ও স্টেশন সম্প্রসারণ, নতুন নতুন মহাসড়ক, পদ্মা সেতু, যমুনার উপর ডাবল রেল ব্রিজ নির্মাণ—এসবের ফলে এখন ঈদের সময় ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গে যাতায়াতে গাবতলীতে আর আগের মতো যানজট হয় না। কর্ণফুলী নদীর নিচে টানেল নির্মাণ, কক্সবাজারে রেল যোগাযোগ স্থাপন এবং সারা দেশের গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ নির্মাণের মাধ্যমে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ ও সুলভ হয়েছে। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি এসেছে।
জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। এতে Eastern Refinery এবং ১ লাখ ৫০ হাজার টন ধারণক্ষমতার Crude Oil ও ৫০ হাজার টন ধারণক্ষমতার Refined Oil সংরক্ষণের ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ড. ইউনূস সরকার সেগুলো বন্ধ রাখার কারণে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়।

গ্রামে গ্রামে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়, যেখানে বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করা হতো। সারা দেশে বিনামূল্যে ১৪ প্রকারের টিকা দেওয়া হয়। শেখ হাসিনা বলতেন, স্বাস্থ্যবান মানুষ না হলে তিনি আয়বর্ধক না হয়ে দেশের বোঝায় পরিণত হবেন। এ কারণেই তাঁর শাসনামলে দেশ হতদরিদ্র অবস্থা থেকে উন্নয়নশীল ও মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে।
দেখা যায়, ১৭ তারিখ তাঁর জীবনে বহুবার এসেছে। প্রতিবারই আনন্দ, অনিশ্চয়তা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে এলেও প্রতিটি ১৭ তারিখ বাংলার মানুষের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। যেমন-১৭ই মার্চ ১৯২০ সনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১ সনে মুজিবনগর সরকার গঠন, ১৭ই নভেম্বর ১৯৬৭ সনে বিশ্ববিখ্যাত পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া, ১৭ই মে ১৯৮১ সনে শেখ হাসিনার বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন দিবস এবং ১৭ ডিসেম্বর স্বাধীনতার একদিন পর পাকিস্তানিদের বন্দিদশা থেকে শেখ হাসিনার মুক্তি।
দেশ বিক্রির প্রতিবন্ধকতা হিসেবে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ডক্টর ইউনূস নিজ চাহিদা অনুযায়ী তৈরি আইন দিয়ে প্রহসনের বিচারে ১৭ই নভেম্বর ২০২৫ সনে ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন। বাংলাদেশের অনেক গবেষক এখন বলছেন, এই ১৭ই নভেম্বর ফাঁসির রায় নয়; বরং আল্লাহর ইচ্ছায় সকল শৃঙ্খল ভেঙে আবার নতুনভাবে বাংলাদেশ গড়ার জন্য বিজয়ীর বেশে ফিরে আসার পূর্বাভাস।
১৭ই নভেম্বর ২০২৫-এর রায় ধুলিস্যাৎ হবে, শেখ হাসিনা ফিরবে বিজয়ীর বেশে।


মতামত লিখুন:
http://darktohope.org/ad/1763179181.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড়ে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
কিশোরগঞ্জে সড়কের ওপর থাকা ড্রেজারের উঁচু পাইপ পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী নিহত
সরকারের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচন: নাহিদ ইসলাম
প্রতিটি ১৭ তারিখ শেখ হাসিনার জীবনে বিজয়ের বীজ বপন করেছে
মতামত- এর আরো খবর
Email: [email protected]
© 2024 Dark to Hope
🔝