মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬,
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English हिन्दी

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রবাস
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে উত্তেজনা, বাংলাদেশিদের দূতাবাসের সতর্কবার্তা
অনলাইন ডেস্ক
Publish: Tuesday, 9 December, 2025, 6:44 PM

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। মঙ্গলবার (০৯ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস এ পরামর্শ দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যকার বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে সীমান্ত এলাকায় থাকা বাংলাদেশিদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। প্রয়োজনে ওই অঞ্চল থেকে সরে যাওয়ারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া পরিস্থিতি নিয়ে কোনও তথ্য বা মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে সংযম ও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাসের হটলাইনে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে: +৬৬৮১৮৭০৮৪৪৩।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে বলেছে, গত জুলাইয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে টানা পাঁচ দিন ধরে সংঘর্ষ চলে। দুই দেশই একে অপরকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা ও ভারী গোলাবর্ষণ করে। ওই সংঘাতে কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত এবং ৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে অস্ত্রবিরতি হয়। সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) আবারও দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। যা জুলাই মাসে হওয়া সংঘর্ষের চেয়ে সবচেয়ে তীব্র মাত্রা ছিল।

ইতিমধ্যে, থাইল্যান্ড তাদের সীমান্তবর্তী পাঁচটি প্রদেশ থেকে ৪ লাখ ৩৮ হাজার বেসামরিক মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে। কম্বোডিয়া কর্তৃপক্ষও বলেছে, লক্ষাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

থাই সেনাবাহিনী বলেছে, তাদের ১৮ সেনা আহত হয়েছেন আর কম্বোডীয় সরকার বলেছে, দেশটির ৯ বেসামরিক লোক আহত হয়েছেন।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে তাদের মধ্যে সীমানার অনির্ধারিত অংশগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিরোধ চলছে।

গত মে মাসে সংঘর্ষে এক কম্বোডীয় সেনা নিহত হওয়ার পর দুই দেশের উত্তেজনা বেড়ে যায়। এ ঘটনার পর সীমান্তে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করা হয়। এতে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

এদিকে থাইল্যান্ড বলেছে, নিজেদের ভূখণ্ড থেকে কম্বোডীয় বাহিনীকে সরিয়ে দিতে তারা মঙ্গলবার পদক্ষেপ নিচ্ছে। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলজুড়ে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার পর এমন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

প্রত্যেক পক্ষই সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে। এ সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যকার অস্ত্রবিরতি ভেঙে গেছে। গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া অস্ত্রবিরতি চুক্তি সে সময় দুদেশের মধ্যকার পাঁচ দিনের লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়েছিল।

কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, রাতভর সংঘর্ষে তাদের আরও দুই বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এতে নতুন সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে কম্বোডিয়ায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক থাই সেনাও নিহত হয়েছেন।

এদিকে আজ সকালে এক বিবৃতিতে থাইল্যান্ডের নৌবাহিনী বলেছে, থাই উপকূলীয় প্রদেশ ত্রাতের ভেতর কম্বোডীয় বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে। তাদের সরিয়ে দিতে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে আর কোনও বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়নি।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত সোমবার রাতে বলেন, ‘থাইল্যান্ড যেন নিজেদের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের অজুহাতে বেসামরিক গ্রামগুলোর ওপর সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করে।’ এর আগে কম্বোডিয়া বলেছিল, তাদের নিজেদের বাহিনী টানা হামলার শিকার হলেও পাল্টা হামলা চালায়নি।

থাইল্যান্ডের নৌবাহিনী বলেছে, কম্বোডীয় বাহিনী সীমান্ত এলাকায় তাদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, স্নাইপার ও ভারী অস্ত্র মোতায়েন করছে, বাংকার শক্তিশালী করছে এবং নতুন পরিখা খনন করছে। নৌবাহিনী বলেছে, এ কর্মকাণ্ডগুলো তারা থাইল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি ও গুরুতর হুমকি হিসেবে দেখছে।

ডার্ক টু হোপ/এসএইচ 
মতামত লিখুন:
http://darktohope.org/ad/1763179181.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

The Awami League was born through its own efforts, created Bangladesh, and transformed a poor nation into a developing country-such a party cannot remain banned.
আওয়ামী লীগ নিজে জন্মেছে, বাংলাদেশকে জন্ম দিয়েছে, হতদরিদ্র দেশকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করেছে-সে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকতে পারে না।
দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড়ে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
কিশোরগঞ্জে সড়কের ওপর থাকা ড্রেজারের উঁচু পাইপ পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী নিহত
প্রবাস- এর আরো খবর
Email: [email protected]
© 2024 Dark to Hope
🔝