চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। রোববার দিনগত মধ্যরাতে সংগঠনের সমন্বয়কারী হুমায়ুন কবীর এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এক ভিডিও বার্তায় বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়কারী হুমায়ুন কবীর জানান, রোববার সন্ধ্যায় তারা সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষের দমনমূলক আচরণের প্রেক্ষিতে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে রাতে বিষয়টি নিয়ে বিএনপির স্থায়ী পরিষদ সদস্য এবং বন্দর-পতেঙ্গা আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে নির্বাচন এবং রমজানের ভোগ্যপণ্য খালাসের সুবিধার্থে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান হুমায়ুন কবীর।
এদিকে, দুদিন বিরতি দিয়ে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলমান এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকায় রোববার বিকেলে সংগ্রাম পরিষদের ১৪ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এছাড়া বদলীকৃতদের জন্য বরাদ্দকরা বাসাও বাতিল করা হয়।
বন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তারকৃত ৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে বন্দর কর্তৃপক্ষ সুনির্দিষ্ট মামলা না করায় তাদেরকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানা গেছে৷ তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ।
ডার্ক টু হোপ/এসএইচ