যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় আসছেন আগামী ১২ জানুয়ারি। মার্কিন দূতাবাসের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তার আগমনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকায় ক্রিস্টেনসেন খুবই ব্যস্ত সময় পার করবেন। সব পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের বর্তমান অস্থিরতা ও আসন্ন নির্বাচনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অপরিহার্য। সিনেট শুনানিতে ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, মানবাধিকার, রোহিঙ্গা সংকট এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গঠনে পাশে থাকবে এবং বাণিজ্য বাধা কমিয়ে সম্পর্ক জোরদার করবে।’
পিটার হাসের পর ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদ দীর্ঘদিন শূন্য ছিল। গত বছরের জুলাইয়ে হাস ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, রাজনৈতিক দল এবং সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তিনি মূলত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাপ সৃষ্টি করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মার্কিন ফরেন সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের কাউন্সেলর সদস্য। তিনি ২০১৯-২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া ২০২২-২০২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা ছিলেন। তার অন্যান্য পোস্টিংয়ের মধ্যে রয়েছে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটি। তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
ডার্ক টু হোপ/এসএইচ