পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নির্বাচনের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) আসন ২টি স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসনের সীমানাসংক্রান্ত জটিলতায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
উপসচিব (নির্বাচন পরিচালন-২ অধিশাখা) মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা জেলার দুটি আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচনি এলাকা ৬৮ পাবনা-১ ও ৬৯ পাবনা-২ আসনের সীমানা সংক্রান্ত একটি মামলার কারণে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের স্মারক নম্বর-১৭,০০,০০০০,০৩৪,৩৬,০০৯,২৫-৩৬৭ অনুযায়ী জানা যায়, সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত সিএমপি নং ১১০৫/২০২৫ মামলায় আপিল বিভাগ গত ৫ জানুয়ারি যে আদেশ প্রদান করেছেন, তার প্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এই স্থগিতাদেশ থাকবে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করা পর্যন্ত।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। তাতে সাঁথিয়া উপজেলার পুরোটা নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলাকে মিলিয়ে পাবনা-২ আসন চূড়ান্ত করা হয়।
ইসির ওই গেজেটের এই দুটি আসনসংক্রান্ত অংশটুকুর বৈধতা নিয়ে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
ডার্ক টু হোপ/এসএইচ