এক মাসেও বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। কয়েক দোকান ঘুরে কোথাও মিললেও ১২ কেজির সিলিন্ডারে গুণতে হচ্ছে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত। ডিলাররা বলছেন, কোম্পানি থেকেই সরকার নির্ধারিত দামে পাচ্ছেন না তারা। তাই বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজধানীতে এলপিজি গ্যাসের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই ১২ কেজির সিলিন্ডার দাম ছাড়ায় ২ হাজার টাকা। তখন জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশগামী এলপিজির বেশকিছু জাহাজ মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়েছে। তারপর সরকারের নানা তোড়জোড়েও সুফল মেলেনি।
জানুয়ারি শেষেও এলপিজি গ্যাসের ডিলারদের দোকানে বাড়েনি সরবরাহ। জানা যায়, ওমেরা, ফ্রেশ, টোটালসহ ৪/৫ টি কোম্পানির সিলিন্ডার অনিয়মিত মিলছে। বেশিরভাগ ব্র্যান্ডের সরবরাহ নেই বললেই চলে। বিক্রেতাদের দাবি, কোম্পানিগুলো সরকার নির্ধারিত দাম মানছে না।
এলপিজি সিলিন্ডার সংকটে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছেন। তারা বলছেন, বাড়তি দামেও অনেক সময় গ্যাস পাচ্ছেন না।
গত ২০ জানুয়ারি বেসরকারি এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্বালানি উপদেষ্টা। সেখানে ১২ কোম্পানি জানুয়ারি মাসে ১ লাখ ৬৭ হাজার টন এবং ফেব্রুয়ারিতে ১ লাখ ৮৪ হাজার টন আমদানির প্রতিশ্রুতি দেয়। যদিও, বছরের প্রথম মাসে এলপিজি আমদানি হয়েছে ১ লাখ টনের মতো।
দেশে মাসে দেড় লাখ টন পর্যন্ত এলপিজির চাহিদা রয়েছে। সরবরাহ সংকটে রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে এই জ্বালানি।
ডার্ক টু হোপ/এসএইচ