বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,
২২ মাঘ ১৪৩২
বাংলা English हिन्दी

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টেকনোলজি
সম্ভাব্যভাবে বাসযোগ্য নতুন গ্রহের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা
অনলাইন ডেস্ক
Publish: Monday, 2 February, 2026, 12:27 AM

পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গ্রহটি সম্ভাব্যভাবে বাসযোগ্য এবং এর পরিবেশগত অবস্থা মঙ্গল গ্রহের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তারা। সদ্য আবিষ্কৃত এই গ্রহটির নাম ‘এইচডি ১৩৭০১০ বি’। এটি সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। গ্রহটি আকারে পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বড়।

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের বিজ্ঞানীদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল গ্রহটি আবিষ্কার করেছেন। তারা ২০১৭ সালে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের বর্ধিত মিশন ‘কে২’ থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই গ্রহের সন্ধান পান। এই গবেষণাটি চলতি সপ্তাহে অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স-এ প্রকাশিত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের গবেষক ড. চেলসি হুয়াং জানান, গ্রহটির কক্ষপথ পৃথিবীর মতোই এবং এর কক্ষপথ পরিক্রমণকাল প্রায় ৩৫৫ দিন।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, গ্রহটির নিজ নক্ষত্রের ‘হ্যাবিটেবল জোনে’ অবস্থানের সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ। হুয়াং বলেন, এই গ্রহটির বিশেষত্ব হলো, এর নক্ষত্রটি আমাদের সৌরজগত থেকে মাত্র প্রায় ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, সূর্যের মতো নক্ষত্রের হ্যাবিটেবল জোনে থাকা নিকটতম অন্য গ্রহ কেপলার-১৮৬এফ। তবে এটি নতুন আবিষ্কৃত গ্রহের তুলনায় চার গুণ বেশি দূরে অবস্থিত এবং উজ্জ্বলতায়ও প্রায় ২০ গুণ কম।

‘এইচডি ১৩৭০১০ বি’ গ্রহটিকে প্রথম শনাক্ত করা হয় যখন এটি স্বল্প সময়ের জন্য একটি নক্ষত্রের সামনে দিয়ে অতিক্রম করে। তখন অল্প সময়ের জন্য নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা সামান্য হ্রাস পায়। এই ক্ষীণ সংকেতটি প্রথম শনাক্ত করেন একদল স্বেচ্ছাসেবী ‘সিটিজেন সায়েন্টিস্ট’, যাদের মধ্যে গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক ড. আলেকজান্ডার ওয়েইনারও ছিলেন। এই জ্যোতির্বিজ্ঞানী সে সময় হাইস্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ওয়েইনার জানান, হাইস্কুলে পড়ার সময় তিনি ‘প্ল্যানেট হান্টার্স’ নামের একটি সিটিজেন সায়েন্স প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন, যা তার গবেষণায় বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। আবার সেই কাজে ফিরে এসে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কারে ভূমিকা রাখতে পারা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা বলে জানান তিনি।

গবেষক হুয়াং বলেন, এর নক্ষত্রটি আমাদের সূর্যের তুলনায় শীতল ও কম উজ্জ্বল, যার ফলে গ্রহটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মঙ্গল গ্রহের মতো। এর তাপমাত্রা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নেমে যেতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

ডার্ক টু হোপ/এসএইচ
মতামত লিখুন:
http://darktohope.org/ad/1763179181.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

শিশু নির্যাতন: বিমানের এমডির পদ হারালেন সাফিকুর
র‌্যাবের নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’
ভোটারদের বাধা দিলে অ্যাকশন নেবে সেনাবাহিনী : সেনাপ্রধান
চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক
হামলার হুমকির মধ্যেই তুরস্কে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
টেকনোলজি- এর আরো খবর
Email: [email protected]
© 2024 Dark to Hope
🔝