রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬,
২৮ পৌষ ১৪৩২
বাংলা English हिन्दी

রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক
মিয়ানমারে চলছে সাধারণ নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোট
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
Publish: Sunday, 11 January, 2026, 11:45 AM

গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর পরিচালনায় পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তিন পর্বের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের ভোটগ্রহণ চলছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, রোববার (১১ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে ভোটাররা কেন্দ্রগুলোতে হাজির হয়ে লাইন ধরে ভোট দিতে শুরু করেছে।

দুই সপ্তাহ আগে ২৮ ডিসেম্বর প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন শুরু হয়। ওই পর্বে ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছিল বলে দেশটির সামরিক জান্তা জানিয়েছিল। যা ২০২০ ও ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ভোটার উপস্থিতির তুলনায় অনেক কম।

দেশটিতে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এটি প্রথম নির্বাচন। চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রয়টার্স লিখেছে, দেশটির ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তাকে বৈধতা দিতে এ নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে আর এতে অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলদের নেতৃত্বে গঠিত সামরিক বাহিনীপন্থি ইউনিয়ন সলিডারিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টিই আবার ক্ষমতায় আসবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

প্রথম পর্বে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ১০২টি আসনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এই পর্বে ইউনিয়ন সলিডারিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি ৯০টি আসনে জয় পায়।

২৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত পর্বের ভোট গ্রহণ করা হবে। দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্বে মিয়ানমারের ২৬৫টি প্রশাসনিক অঞ্চলের (টাউনশিপ) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এসব অঞ্চলের মধ্যে এমন এলাকাও আছে যেখানে জান্তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই।

সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশটির ৩৩০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের (টাউনশিপ) মাধ্যমে ৫৬টিতে ভোট হবে না। এর পাশাপাশি আরও তিন হাজার গ্রাম ও ওয়ার্ড এলাকা নির্বাচনের বাইরে আছে। বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, দেশটির প্রায় এক তৃতীয়াংশ নির্বাচনের বাইরে থাকছে।

জাতিসংঘ, কিছু পশ্চিমা দেশ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে, নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। কারণ এতে জান্তাবিরোধ রাজনৈতিক দলগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি আর নির্বাচনের সমালোচনাকে আইনি করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

দেশটির নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী নেত্রী অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিসহ প্রায় ৪০টি দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দলটি ২০১৫ ও ২০২০ সালে বিপুল জয় পেয়েছিল। সু চি ও দলের বহু শীর্ষ নেতাকে কারাবন্দি করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। দলটির অনেক নেতা নির্বাসনেও রয়েছেন।

ভোটে বাধা দেওয়া বা বিরোধিতা করার অভিযোগে নতুন একটি আইনের আওতায় ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই আইনে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য, অচলাবস্থা থেকে বেরোনোর পথ খোঁজা চীনের সমর্থনপুষ্ট জান্তা সরকার নিজেদের বৈধতা তৈরি করে ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্ত করতে চাইছে।

ডার্ক টু হোপ/এসএইচ
মতামত লিখুন:
http://darktohope.org/ad/1763179181.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট
দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি: হাইকোর্ট
৪০০ বছরের পুরনো যৌনপল্লীর গল্পে সিনেমা, প্রকাশ্যে ট্রেলার
টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশুটি বেঁচে আছে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ-প্রচারণা নিষিদ্ধ
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Email: [email protected]
© 2024 Dark to Hope
🔝