Publish: Friday, 16 January, 2026, 11:45 PM

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ইনিংসের ত্রয়োদশ ওভারে স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় ভেসে উঠল, মাঠে দর্শক উপস্থিতি ২০ হাজার ৮৯২। সেই সংখ্যা অনেকটাই কমে গেল রাজশাহীর ইনিংস শেষ হতে না হতেই।
শক্ত ভিতে দাঁড়িয়ে বড় পুঁজি গড়তে পারল না তারা। তবে সেটিকেই যথেষ্ট করে তুললেন বোলাররা। সিলেট টাইটান্সকে হারিয়ে শীর্ষ দুইয়ে থেকে বিপিএলের কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এই ম্যাচে নাটক, রোমাঞ্চ, উত্তেজনা, উষ্ণতা সবই ছিল। তবে শেষ হাসি রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের।
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৭ রান তোলে রাজশাহী।
জবাব দিতে নেমে তাওফিক খান এবং পারভেজ হোসেন ইমনের ওপেনিং জুটিতে ১৪ রান তোলে সিলেট টাইটান্স। ৬ বলে ৪ রান করে বিদায় নেন তাওফিক। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ২ বলে ১ রান করে বিদায় নিয়েছেন তিনি।
টিকে ছিলেন ইমন। দারুণ সব শটে রান বের করেছেন। চারে নেমে ইমনের সঙ্গে যোগ দেন মুমিনুল হক। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান তোলে সিলেট। মুমিনুল এগিয়েছে রয়েসয়ে। ইমন ছিলেন বেশ আগ্রাসী। ৩০ বলে ৪১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে দলের ৬৪ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরে যান পারভেজ ইমন।
পাঁচে নামা আফিফ হোসেন ধ্রুব ১৫ বলে ১৬ রান করেছেন। মুমিনুল সুবিধা করতে পারেননি। ৩৬ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি।
সুবিধা করতে পারেননি ইথান ব্রুকসও। ২ বলে ১ রান করেন তিনি। শেষ দিকে কিছুটা চাপে পড়ে যায় সিলেট টাইটান্স। তবে ত্রাতা হয়ে আসেন মঈন আলী। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে জয়ের আশা দেখাতে থাকেন তিনি। ৩ ছক্কা ১ চারে ১২ বলে ২৭ রানের ক্যামিও খেলে বিদায় নেন মঈন। একই ওভারে আউট হয়েছেন নাসুম আহমেদও। শেষ ওভারে সিলেটের দরকার ১১ রান, হাতে ২ উইকেট।
বোলিংয়ে আসেন বিনুরা ফার্নান্দো। স্ট্রাইকে ছিলেন শহিদুল ইসলাম। প্রথম ৩ বলে ২ রান দেন বিনুরা। পরের ২ বলে আসে কেবল ১ রান। ১ বলে দরকার ছিল ৮ রান। স্ট্রাইকে ছিলেন রুয়েল মিয়াহ। সেই বল হয়ে যায় ওয়াইড। পরের বলেও হয়েছে ওয়াইড। তবে পরের বলে রুয়েলকে বোল্ড করে দেন বিনুরা। ৫ রানের জয় পায় রাজশাহী।
ডার্ক টু হোপ/এসএইচ