৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ব্যতীত জোটের বাকি ১০ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এরপর বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আসন বণ্টনের ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘আমরা আপাতত ২৫০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯, এনসিপি ৩০, খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফতে মজলিস (একাংশ) ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৩ এবং নেজামে ইসলাম ২ টি এবং বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টিকে ২ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাকি শরিকদের সাথেও ঐকমত্যের ভিত্তিতে আসন বণ্টন সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করি।’
বাকি ৪৭ আসন থাকছে বাকি দলগুলোর জন্য।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের অনুপস্থিতির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া করছে। জোটে ভাঙনের কোনো অবকাশ নেই। আশা করি দ্রুতই তারা আমাদের সাথে যুক্ত হবে।’
এর আগে, সকালে নির্বাচনের আসন বণ্টন নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসে জোটের শরিক দলগুলো। এতে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ জোটের অন্যান্যরা উপস্থিত থাকলেও ইসলামী আন্দোলন অংশ নেয়নি।
উল্লেখ্য, বুধবারই এই আসন সমঝোতা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের কথা ছিল। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে তা স্থগিত করা হলে জোটে বিভাজনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ইসলামী আন্দোলন এই পরিস্থিতির জন্য সরাসরি জামায়াতের আচরণকে দায়ী করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক অভিযোগ করেন, জামায়াতের একপাক্ষিক আচরণ ও একাই ২০০ আসন দাবির প্রবণতা জোটের স্বার্থপরিপন্থী।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ডার্ক টু হোপ/এসএইচ